মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পাপিয়া দম্পতির ২০ বছরের কারাদণ্ড ২ কিশোরী বোনকে ধর্ষণ, ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে আটক করা হলো ধর্ষককে পরীক্ষার ফি দিতে না পারা ছেলেটির ছবি স্থান পেলো জাতিসংঘ ৭৫ পোস্টারে শারীরিক অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে সানাই জাগরণের ৮ মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের মানববন্ধন চট্টগ্রা‌মের প্রধান ৫ প‌ত্রিকা অ‌নি‌র্দিষ্টকা‌লের জন্য বন্ধ শতভাগ উজাড় করে দিয়ে মানুষের সেবায় নিয়োজিত হোনঃ স্বাস্থ্যকর্মীদের রেজাউল করিম চৌধুরী ঈদ বোনাসের দাবিতে আজাদী সম্পাদকের বাসা ঘেরাও সিইউজে’র পশুর হাটের নিকটবর্তী শাখায় রাত ৮ টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন আওয়ামী লীগের দলীয় তহবিলের পরিমাণ ৫০ কোটি টাকা

হাতীবান্ধায় স্ত্রী  নির্যাতন থেকে বাঁচতে স্বামীর মামলা দায়ের

আসাদ হোসেন রিফাত,লালমনিরহাট::
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২২ জুন, ২০২০
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিন গড্ডিমারী গ্রামের আহাম্মদ শরিফ নামে এক কাপড় ব্যবসায়ী তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। ওই কাপড় ব্যবসায়ী নির্যাতন থেকে বাঁচতে তার স্ত্রী  রোকেয়া বেগম মায়া’র বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগও করেছেন।ওই অভিযোগ পত্রে স্ত্রীর পাশাপাশি তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রাকে আসামী করা হয়েছে। হাতীবান্ধা থানা সুত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা শহরের কাপড় ব্যবসায়ী ও দক্ষিন গড্ডিমারী গ্রামের নছের উদ্দিনের পুত্র আহাম্মদ শরিফ থানায় তার স্ত্রী, পুত্র আহসান হাব্বি মোজাহিদ, মেয়ে আসমাইল হুসনা সোনিয়া, শ্যালক আঃ ছালাম রোকন ও ভায়রা কোরবান আলীকে আসামী করে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তার আগে তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া বাদী হয়ে হাতীবান্ধা থানায় আহাম্মদ শরিফের বিরুদ্ধেও একটি মামলা দায়ের করেন। আহাম্মদ শরিফ তার অভিযোগ পত্রে দাবী করেন, বিয়ের পর থেকেই তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া তাকে নানা সময় শারীরিক নির্যাতন করেন। স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়া জোর পুর্বক তার কাছে জমি কবলা করে চায়। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে তার পুত্র, মেয়ে, শ্যালক ও ভায়রা সহযোগিতাও করেন। তাদের নির্যাতন থেকে বাঁচতে গত ৫ মে আহাম্মদ শরিফ আদালতের মাধ্যমে স্ত্রী রোকেয়া বেগম মায়াকে তালাক প্রদান করেন। কিন্তু তারপরও গত ১১ জুন তাকে নির্যাতন করেন স্ত্রী, পুত্র, মেয়ে, শালক ও ভায়রা। আহাম্মদ শরিফ বলেন, আমাকে শুধু আমার স্ত্রী নয়, আমার ছেলেও কয়েক বার নির্যাতন করেছেন এলাকায় গেলে শত শত মানুষ সাক্ষী দিবেন।তবে আহাম্মদ শরিফের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তার স্ত্রী  রোকেয়া বেগম মায়া বলেন, আমার স্বামী ২য় বিয়ের অনুমতি চেয়ে ছিলেন। অনুমতি না দেয়ায় আমাকে নির্যাতন করেন ।হাতীবান্ধা থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, ইতোমধ্যে সহকারী পুলিশ সুপারসহ আমি সড়ে জমিন তদন্ত করেছি। পুরো বিষয়টি আরো অধিকতর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

দেশের নিউজ’র ই-পেপার::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
Shahriar@01717698939