শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২০, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
চট্টগ্রা‌মের প্রধান ৫ প‌ত্রিকা অ‌নি‌র্দিষ্টকা‌লের জন্য বন্ধ শতভাগ উজাড় করে দিয়ে মানুষের সেবায় নিয়োজিত হোনঃ স্বাস্থ্যকর্মীদের রেজাউল করিম চৌধুরী ঈদ বোনাসের দাবিতে আজাদী সম্পাদকের বাসা ঘেরাও সিইউজে’র পশুর হাটের নিকটবর্তী শাখায় রাত ৮ টা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন আওয়ামী লীগের দলীয় তহবিলের পরিমাণ ৫০ কোটি টাকা ইপিজেড থানার কথিত ক্যাশিয়ার সুলতান ও জাহাঙ্গীরের বেপরোয়া চাঁদাবাজি সরকারের ব্যর্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে : মির্জা ফখরুল স্বাস্থ্যের ডিজির কাছে অভিযোগ করলেন শাজাহান খানের মেয়ে বিএমএসএফ-বন্দরজোন কমিটির প্রথম কার্য্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় উত্তরাঞ্চলে পানি বাড়ছে,আর কমছে সিলেটে

আজ সবার চোখ আইসিসির সভায়

দেশের নিউজ ডেস্ক::
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২০

আসছে জুলাইয়ের পর শশাঙ্ক মনোহর আর আইসিসির চেয়ারম্যান থাকছেন না। কিন্তু বিদায়ের প্রাক্কালে এ নিয়ে তিনি অহেতুক টালবাহানা করছেন বলে অভিযোগ উঠছে খোদ আইসিসির ভেতরেই। আজ বুধবার টেলিকনফারেন্সে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্যনির্ধারণ হওয়ার কথা। এখন পর্যন্ত বাতাসে গুঞ্জন, অস্ট্রেলিয়ায় এই বছর বিশ্বকাপ আয়োজন কার্যত অসম্ভব। কিন্তু টুর্নামেন্ট পেছানোর সিদ্ধান্ত কি আজই জানাবে আইসিসি নাকি অপেক্ষা করবে জুলাইয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির বার্ষিক সভা পর্যন্ত?

একটি সূত্রের খবর, চেয়ারম্যান মনোহর চাচ্ছেন, জুলাইয়ে সিদ্ধান্ত নিতে। তবে অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার স্টার স্পোর্টস চায়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিশ্বকাপ পেছানোর সিদ্ধান্ত জানানো হোক, যাতে বিকল্প ব্যবস্থা জেনে নিয়ে সেই মোতাবেক তৈরি হওয়া যায়। একইভাবে তিন মোড়লের অন্যতম ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত জানতে উদগ্রীব। বিশ্বকাপ না হলে অক্টোবর-নভেম্বরে আইপিএল নিয়ে পুরোদমে এগোতে চাইবে তারা। অস্ট্রেলিয়ান তারকা স্টিভেন স্মিথ-প্যাট কামিন্স থেকে শুরু করে বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার মাইকেল হোল্ডিংও চাইলেন, বিশ্বকাপ না হলে আইপিএল হোক।

এই মুহূর্তে আয়োজক অস্ট্রেলিয়ার করোনার অভিশাপ থেকে অনেকটা মুক্ত হলেও এখনো ধুঁকছে বেশির ভাগ ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার ৩ দেশ বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান এখন সবচেয়ে বাজে সময় পার করছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ হচ্ছে না বলে ধরে নেওয়াই যায়। আইসিসি বোর্ডের বেশির ভাগ সদস্যেরই মতো, এই বছর টুর্নামেন্ট আয়োজন বড্ড বেশি ঝুঁকির হয়ে যাবে। তার চেয়ে টুর্নামেন্ট পিছিয়ে দেওয়া অনেক যুক্তিসঙ্গত। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৬টি দলের অস্ট্রেলিয়া পৌঁছানো এবং দলগুলোর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা করোনার প্রকোপে একেবারেই বাস্তব সম্মত নয়। রুদ্ধদ্বার টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হলেও খরচ অনেকটাই বাড়বে, কারণ সেটা করতে হবে বায়ো সিকিওর এনভাইরোনমেন্ট বা জৈব সুরক্ষিত পরিবেশে।

বিকল্প হিসেবে বেশ কয়েকটি রাস্তা আছে। প্রথম রাস্তা টুর্নামেন্ট পিছিয়ে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে আয়োজন করা। এর জন্য আইসিসিকে অবশ্য ২০২১ সালে নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি নতুন করে তৈরি করতে হবে। ওই টুর্নামেন্ট আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে নিউজিল্যান্ডে হওয়ার কথা। কিন্তু একই বছরে অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি রয়েছে। ৮ মাসের ব্যবধানে তিনটি আইসিসি ইভেন্ট কতটা গ্রহণযোগ্য তাতে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা আগ্রহী হবে সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

দ্বিতীয় বিকল্প টুনার্মেন্ট ২০২১ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় করা। সেক্ষেত্রে ভারতকে ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার দাবি ছেড়ে দিতে হবে এবং এক বছর পিছিয়ে ২০২২ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে বিশ্বকাপ করতে হবে। কিন্তু এটাও মাথায় রাখতে হবে ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেরও আয়োজক ভারত। সেটা হওয়ার কথা ফেব্রুয়ারি-মার্চে। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে একই দেশে দুই সংস্করণের দুটি বিশ্বকাপ অনেকের কাছেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

তৃতীয় বিকল্প হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় ২০২২ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে টুর্নামেন্ট নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেখানেও পাঁচ মাসের মধ্যে দুটো বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারটা থাকছে। শুধু এক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন দেশে টুনার্মেন্ট হচ্ছে।

এসব প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে আজ রাতেই। তাই কোটি কোটি ক্রিকেট অনুরাগীর নজর থাকছে আইসিসির সভায়।

আসছে জুলাইয়ের পর শশাঙ্ক মনোহর আর আইসিসির চেয়ারম্যান থাকছেন না। কিন্তু বিদায়ের প্রাক্কালে এ নিয়ে তিনি অহেতুক টালবাহানা করছেন বলে অভিযোগ উঠছে খোদ আইসিসির ভেতরেই। আজ বুধবার টেলিকনফারেন্সে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্যনির্ধারণ হওয়ার কথা। এখন পর্যন্ত বাতাসে গুঞ্জন, অস্ট্রেলিয়ায় এই বছর বিশ্বকাপ আয়োজন কার্যত অসম্ভব। কিন্তু টুর্নামেন্ট পেছানোর সিদ্ধান্ত কি আজই জানাবে আইসিসি নাকি অপেক্ষা করবে জুলাইয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির বার্ষিক সভা পর্যন্ত?

একটি সূত্রের খবর, চেয়ারম্যান মনোহর চাচ্ছেন, জুলাইয়ে সিদ্ধান্ত নিতে। তবে অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার স্টার স্পোর্টস চায়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিশ্বকাপ পেছানোর সিদ্ধান্ত জানানো হোক, যাতে বিকল্প ব্যবস্থা জেনে নিয়ে সেই মোতাবেক তৈরি হওয়া যায়। একইভাবে তিন মোড়লের অন্যতম ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্রুত জানতে উদগ্রীব। বিশ্বকাপ না হলে অক্টোবর-নভেম্বরে আইপিএল নিয়ে পুরোদমে এগোতে চাইবে তারা। অস্ট্রেলিয়ান তারকা স্টিভেন স্মিথ-প্যাট কামিন্স থেকে শুরু করে বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার মাইকেল হোল্ডিংও চাইলেন, বিশ্বকাপ না হলে আইপিএল হোক।

এই মুহূর্তে আয়োজক অস্ট্রেলিয়ার করোনার অভিশাপ থেকে অনেকটা মুক্ত হলেও এখনো ধুঁকছে বেশির ভাগ ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার ৩ দেশ বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান এখন সবচেয়ে বাজে সময় পার করছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ হচ্ছে না বলে ধরে নেওয়াই যায়। আইসিসি বোর্ডের বেশির ভাগ সদস্যেরই মতো, এই বছর টুর্নামেন্ট আয়োজন বড্ড বেশি ঝুঁকির হয়ে যাবে। তার চেয়ে টুর্নামেন্ট পিছিয়ে দেওয়া অনেক যুক্তিসঙ্গত। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৬টি দলের অস্ট্রেলিয়া পৌঁছানো এবং দলগুলোর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা করোনার প্রকোপে একেবারেই বাস্তব সম্মত নয়। রুদ্ধদ্বার টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হলেও খরচ অনেকটাই বাড়বে, কারণ সেটা করতে হবে বায়ো সিকিওর এনভাইরোনমেন্ট বা জৈব সুরক্ষিত পরিবেশে।

বিকল্প হিসেবে বেশ কয়েকটি রাস্তা আছে। প্রথম রাস্তা টুর্নামেন্ট পিছিয়ে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে আয়োজন করা। এর জন্য আইসিসিকে অবশ্য ২০২১ সালে নারীদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি নতুন করে তৈরি করতে হবে। ওই টুর্নামেন্ট আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে নিউজিল্যান্ডে হওয়ার কথা। কিন্তু একই বছরে অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি রয়েছে। ৮ মাসের ব্যবধানে তিনটি আইসিসি ইভেন্ট কতটা গ্রহণযোগ্য তাতে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা আগ্রহী হবে সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

দ্বিতীয় বিকল্প টুনার্মেন্ট ২০২১ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় করা। সেক্ষেত্রে ভারতকে ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার দাবি ছেড়ে দিতে হবে এবং এক বছর পিছিয়ে ২০২২ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে বিশ্বকাপ করতে হবে। কিন্তু এটাও মাথায় রাখতে হবে ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেরও আয়োজক ভারত। সেটা হওয়ার কথা ফেব্রুয়ারি-মার্চে। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে একই দেশে দুই সংস্করণের দুটি বিশ্বকাপ অনেকের কাছেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

তৃতীয় বিকল্প হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় ২০২২ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে টুর্নামেন্ট নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেখানেও পাঁচ মাসের মধ্যে দুটো বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারটা থাকছে। শুধু এক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন দেশে টুনার্মেন্ট হচ্ছে।

এসব প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে আজ রাতেই। তাই কোটি কোটি ক্রিকেট অনুরাগীর নজর থাকছে আইসিসির সভায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

দেশের নিউজ’র ই-পেপার::

বিজ্ঞাপন::

বিজ্ঞাপন::

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।
কারিগরি সহযোগিতায়: মোঃ শাহরিয়ার হোসাইন
Shahriar@01717698939